সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমগুলো ব্যবহার করলে প্রবীণদের সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। দূর দেশে বসবাসকারী আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে স্কাইপের মাধ্যমে সরাসরি কথা বলা, ফেসবুক ও অন্যান্য মাধ্যমে প্রিয়জনদের নিত্যনতুন ছবি ও অবস্থা দেখা এবং সেগুলো নিয়ে ম জানানো ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকলে বয়স্ক লোকজন শারীরিক ও মানসিকভাবে তুলনামূলক সুস্থ থাকেন। যুক্তরাজ্যের এক্সিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী টমাস মর্টন ও তাঁর সহযোগী গবেষকেরা এসব কথা জানিয়েছেন। তাঁরা ৬০ থেকে ৯৫ বছর বয়সী ৭৬ জন প্রবীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্বাস্থ্যের অধিকারী নারী-পুরুষের ওপর দুই বছর ধরে গবেষণা চালান। এ সময় তাঁদের দেওয়া হয় বিশেষায়িত কম্পিউটার ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ এবং সেগুলো ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।
Search This Blog
Thursday, December 18, 2014
মঙ্গলের মাটিতে প্রাণ?
মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছে কিউরিওসিটি রোভার। মঙ্গলের মাটি থেকে রহস্যময় মিথেন নির্গত হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে নাসার পাঠানো রোভারটি। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এলিয়েন বা ভীনগ্রহের কোনো জীবাণু থেকেই তৈরি হচ্ছে এই মিথেন। এক খবরে জানিয়েছে ইনডিপেনডেন্ট।
গবেষকেরা বলছেন, সাধারণত ভূতত্ত্ব কিংবা অন্য কোনো তত্ত্ব দিয়ে রহস্যময় এই মিথেনের ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে না।
২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণের পর থেকে মঙ্গলের মাটিতে অণুজীব খোঁজার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রোবট যান কিউরিওসিটি। মঙ্গলের মাটিতে মিথেনের এই গজাল কীভাবে তৈরি হচ্ছে, বিজ্ঞানীরা তার ব্যাখ্যা দিতে না পারলেও দাবি করছেন, ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়াসদৃশ জীবন্ত অণুজীবই এর কারণ।
গবেষকেরা বলছেন, যদি জীবন্ত কোনো অণুজীব থেকে এই গ্যাস তৈরি হয়, তবে তা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ, পৃথিবীতে ৯৫ শতাংশ মিথেন গ্যাস তৈরি হয় ক্ষুদ্র অণুজীব থেকে। এর পাশাপাশি অজৈবিক প্রক্রিয়াতেও এ ধরনের গ্যাস তৈরি হতে পারে।
নাসার গবেষকেরা বলছেন, কিউরিওসিটিতে এখন জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে বারবার পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ২০২০ সাল পর্যন্ত পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে কিউর ২০২০ সালে মিথেনের উত্স খুঁজে বের করতে মঙ্গলের মাটিতে মনুষ্যবিহীন মিশন পরিচালিত হবে।
অবশ্য তার আগে ২০১৯ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সোমার্স মিশন থেকে আরও তথ্য পাবেন বিজ্ঞানীরা। ২০১৯ সালে ৩০০ কেজি ওজনের একটি রোবটযান মঙ্গলের মাটিতে নামবে এবং দুই মিটার পর্যন্ত গর্ত খুঁড়ে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে দেখবে। এ ছাড়া প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য অত্যাধুনিক বেশ কিছু প্রযুক্তি এই রোভারে থাকবে।
মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরির গবেষক ড্যানি গ্লাভিন বলেছেন, ‘মঙ্গলের মাটিতে আমরা কয়েক দশক ধরেই অণুজীবের সন্ধান করছিলাম। এটি সত্যিই অসাধারণ একটি আবিষ্কার। মঙ্গলের মাটিতে আমরা প্রথমবারের মতো জৈব উপাদানের খোঁজ পেলাম। এটা আমাদের জীবনের মূল রাসায়নিক উপাদান খুঁজে বের করার উত্সাহ আরও বাড়িয়ে দেবে। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে এই জৈব উপাদানের উত্স কোথায় তা খুঁজে দেখা।’
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আবারও গর্ত করে তা থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে কিউরিওসিটি। এরপর তা পরীক্ষা করে আরও নিশ্চিত ফল জানাবে।
আসছে হোয়াটসঅ্যাপের ডেস্কটপ সংস্করণ।
মোবাইলের জনপ্রিয় মেসেজিং সেবা হোয়াটসঅ্যাপে ওয়েব সংস্করণ আসবে শিগগিরই। হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপ টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ডেস্কটপ সংস্করণ তৈরির জন্য ওয়েব ডেভেলপার ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুললে এই গুজবছড়িয়ে পড়ে।
টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চকে জানিয়েছেন, ‘আমার মনে হয় হোয়াটসঅ্যাপ এবার ওয়েব সংস্করণ তৈরি করছে। কারণ তারা আমাদের ওয়েব ডেভেলপারদের ভাগিয়ে নিচ্ছে।’
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরাও এরই মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের সাম্প্রতিক আপডেটের কোড ঘেঁটে দুরভের অনুমান সঠিক বলেই প্রমাণ পেয়েছেন। গোপন কোড ঘেঁটে তাঁরা ওয়েব লগ ইন ও অনলাইন স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং-সংক্রান্ত কোড দেখতে পেয়েছেন।
মেসেজিং সেবার শীর্ষ অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ৬০ কোটি হলেও এর কোনো ওয়েব সংস্করণ নেই। প্রতিদ্বন্দ্বী লাইন, ভাইবার, টেলিগ্রাম, উইচ্যাট ব্যবহার করে ফোন ও ওয়েব থেকে যোগাযোগ করা যায়। এবার সম্ভবত হোয়াটসঅ্যাপও ওয়েব দুনিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে যাচ্ছে।
স্কাইপ আনল নতুন সেবা।
স্কাইপে বিদেশি বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছেন কিন্তু ভাষা বুঝতে পারছেন না? স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ সেবা যুক্ত করতে যাচ্ছে মাইক্রোসফট, যাতে স্কাইপে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে রিয়েল টাইমে তার অনুবাদ সেবা মিলবে। আজ ১৬ ডিসেম্বর রিয়েল টাইমে অনুবাদের ক্ষেত্রে একধাপ অগ্রসর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানটি।
স্কাইপে পরীক্ষামূলকভাবে স্প্যানি থেকে রিয়েল টাইমে ইংরেজি ও ইংরেজি থেকে স্প্যানিশে ভাষা করার সুবিধা চালু করছে মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফটের কর্মকর্তা গুরদীপ পাল বলেছেন, ‘স্কাইপ ট্রান্সলেটর প্রিভিউ প্রোগ্রামের প্রথম ধাপ চালু করতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। শুরুতে স্প্যানিশ ও ইংরেজি দিয়ে এটি পরীক্ষামূলকভা করা হচ্ছে। এই ট্রান্সলেটর বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, সংযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। ভাষার ব্যবধান আর ভৌগোলিক বেড়াজালে মানুষ আর আটকে যাবে না।’
মাইক্রোসফটের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘স্কাইপ ট্রান্সলেটর মূলত মেশিন লার্নিং বা যন্ত্রের শিক্ষণপদ্ধতিতে কাজ করে। এর অর্থ এই প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, এই ট্রান্সলেটর তত বেশি আধুনিক ও কার্যকর হয়ে উঠবে।’
এ বছরের মে মাসে রিয়েল টাইম ভয়েস ট্রান্সলেটশনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী একটি উদ্ভাবন ঘোষণা দিয়েছিল মাইক্রোসফট যা ইউনিভার্সাল ট্রান্সলেটর বা সর্বজনীন অনুবাদ যন্ত্রের প্রয়োজন মেটাবে বলেই দাবি করেছিল তারা।
Tuesday, December 16, 2014
ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
মানুষ মাত্রই ভুল করে। কিন্তু সেই ভুল নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। এ পরামর্শ ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের। যাঁরা নতুন উদ্যোগ নিচ্ছেন বা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য সম্প্রতি বিশেষ পরামর্শই দিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা। এক খবরে জানিয়েছে ব্যবসা ও প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডার।
১১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেনলো পার্কে ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়ে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মুখোমুখি হয়েছিলেন জাকারবার্গ। সেখানে মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন উদ্যোক্তাদের সম্পর্কে জাকারবার্গ বলেন, ‘যদি প্রায়ই ভুল হয় তা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই, বরং এই ভুলগুলো থেকে শিখে নিতে হবে। আসল বিষয়টি হচ্ছে এ ভুলগুলো কীভাবে এড়ানো যাবে এবং কীভাবে তা থেকে শিখতে হবে সেটি।’
জাকারবার্গ বলেন, ‘ফেসবুক তৈরির সময় আমিও অনেক ভুল করেছি। সেই ভুলগুলো থেকেই আমার সবচেয়ে বেশি শিক্ষা হয়েছে।’
তিনি পরামর্শ দেন, ‘সামনে এগিয়ে যান, ভুল নিয়ে চিন্তা করে নিজের ওপর বেশি চাপ বাড়াবেন না।’
ওই অনুষ্ঠানে জাকারবার্গ অভিভাবক ও মা-বাবার প্রতিও বেশ কিছু উপদেশ দেন। তিনি বলেন, উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ফেসবুক ব্যবহার করতে দেওয়ার পক্ষে তিনি। জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি আমার সন্তানকে প্রযুক্তি বা ফেসবুক ব্যবহারে নিষেধ করতাম না। অনেক সমাজে উঠতি বয়সী সন্তানের প্রতি এমন অস্বাভাবিক আচরণ করা হয় যেন সে কিছুই করতে পারবে না।’ জাকারবার্গ বলেন, ‘আমার সন্তানকে আমি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দেব। কারণ, বর্তমান দুনিয়ায় জানাশোনা ও দক্ষতা অর্জনের জন্য এটা দরকার।’